যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর ইরানের রেজিম চেঞ্জ আর প্রাথমিক লক্ষ্য নয়: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তন বা রেজিম চেঞ্জের চেষ্টা চালাচ্ছে—এমন তথ্যই গত কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার (২০ মার্চ) স্পষ্ট করেছেন, ইরানের পুনর্গঠন ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন আর ওয়াশিংটনের প্রাথমিক লক্ষ্য নয়।

এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া হামলায় ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খা’\মে’\নি এবং দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। সূত্র জানায়, ১ হাজার ৩০০ নাগরিকসহ ডা. আলী লারিজানি এবং অন্যান্য বড় বড় সরকারি কর্মকর্তারা এই অভিযানের শিকার হয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতা’\ন্যা’\হু বারবার নাগরিকদের ক্ষমতা দখলের জন্য আহ্বান জানিয়েও প্রত্যাশিত সাড়া পাননি।

ট্রাম্প বলেন, “ইসরাইলের সঙ্গে যৌথ হামলার পর ইরানের পুনর্গঠন করতে ১০ বছর সময় লাগবে। শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এখন আমাদের মূল লক্ষ্য নয়। আমরা যদি আরও দীর্ঘ সময় সেখানে থাকি, তারা কখনোই পুনর্গঠন করতে পারবে না।”

এমএস নাউ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, “আমাদের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা রোধ করা।” ট্রাম্পের ভাষ্যে, ওয়াশিংটন সম্ভবত ইরানের সরকারকে নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে প্রভাব রাখতে পারে, তবে সেটি প্রধান বিষয় নয়। তিনি ভূগর্ভে পুঁতে রাখা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, “সেখানে এখনও পারমাণবিক ধূলিকণা রয়ে গেছে।”

এছাড়া হরমুজ প্রণালির অবরোধ সরানোর জন্য ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সহায়তা প্রত্যাখ্যানের পর ট্রাম্প তাদের কঠোর সমালোচনা করেন।

সূত্র: আল আরাবিয়া (Al Arabiya)