ইসরায়েলের হামলায় জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানি নি’\হত হওয়ার পর ইরানের গুরুত্বপূর্ণ এই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অভিজ্ঞ সেনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর (Mohammad Bagher Zolghadr)-কে। দীর্ঘদিন ধরে সামরিক, বেসামরিক ও বিচারিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করা এই ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দিয়ে তেহরান একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে তারা আপসহীন।
বাঘের জোলঘাদরের উত্থান ঘটে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়। সে সময় তিনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর একটি ডিভিশনের নেতৃত্ব দেন। একইসঙ্গে তাকে ইরাকের কুর্দিসহ সীমান্তবর্তী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
পরবর্তীতে তিনি বিপ্লবী গার্ডের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তার সামরিক ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে তিনি এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের দায়িত্বে ছিলেন—এই কাউন্সিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে পরামর্শ প্রদান করে এবং পার্লামেন্ট ও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের মধ্যে মধ্যস্থতা করে থাকে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির আস্থা অর্জন করেছেন।
এই নিয়োগের মাধ্যমে ইরান দেখাতে চেয়েছে যে, চলমান সংকটের মধ্যেও তাদের নিরাপত্তা কাঠামো শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্বের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি রয়েছে।
সূত্র: সিএনএন (CNN)


