বহু ফ্রন্টে যু’\দ্ধে চাপে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, ভেঙে পড়ার শঙ্কা সেনাপ্রধানের

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে যু’\দ্ধ চালানোর পাশাপাশি লেবাননে হিজবুল্লাহর সঙ্গেও সংঘাতে জড়িয়েছে ইসরায়েল। একাধিক ফ্রন্টে এই দীর্ঘস্থায়ী যু’\দ্ধ পরিস্থিতি দেশটির সেনাবাহিনীতে জনবলের তীব্র সংকট তৈরি করেছে। এমন বাস্তবতায় সেনাবাহিনী নিজেই ভেঙে পড়তে পারে—এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন ইসরায়েলের সেনাপ্রধান।

আল জাজিরা (Al Jazeera)-র খবরে বলা হয়েছে, বুধবার নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ইসরায়েলের চিফ অব স্টাফ এয়াল জামির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সামনে ১০টি সতর্ক সংকেত তুলে ধরছি,’—যা থেকে বোঝা যাচ্ছে, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

জামির আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী নিয়মিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হতে পারে। একাধিক যুদ্ধক্ষেত্রে একই সঙ্গে লড়াই চালাতে গিয়ে বাহিনীর ওপর চাপ ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।

এই সংকট মোকাবিলায় তিনি নতুন কিছু আইনি উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। এর মধ্যে রয়েছে বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ আইন আরও কঠোর করা, রিজার্ভ ডিউটি সংক্রান্ত আইন হালনাগাদ করা এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার মেয়াদ বাড়ানো।

বিশ্লেষকদের মতে, একসঙ্গে একাধিক ফ্রন্টে যু’\দ্ধ চালানো যেকোনো দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ইসরায়েলের ক্ষেত্রেও সেই বাস্তবতা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত এবং ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ সামাল দিতে গিয়ে সেনাবাহিনীর ওপর চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।

বর্তমান পরিস্থিতি ইসরায়েলের সামরিক কৌশল ও নীতিনির্ধারণে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।