কুয়েতে তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক ইউনিট; ইরানের এফ-৩৫ ভূপাতিতের দাবি

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে কুয়েতের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কুয়েতের রাষ্ট্রীয় তেল সংস্থা কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (Kuwait Petroleum Corporation)-এর মিনা আল-আহমাদি শোধনাগারে সরাসরি আঘাত হেনেছে ইরানের ড্রোন।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) প্রকাশিত এনডিটিভি (NDTV)-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সকালের দিকে চালানো এই হামলায় শোধনাগারের একাধিক ইউনিটে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলে দ্রুত উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

এই হামলার ফলে শোধনাগারের কার্যক্রমে কী ধরনের প্রভাব পড়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট না হলেও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে, একই সময়ে ইরান দাবি করেছে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক স্টিলথ যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ (F-35) ভূপাতিত করেছে। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের বরাতে দেশটির বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ (Fars News) টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানায়।

পোস্টে দাবি করা হয়, ইরানের মধ্যাঞ্চলে উড়ন্ত অবস্থায় যুদ্ধবিমানটিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয় এবং এটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়। বিমানের ক্ষয়ক্ষতি এতটাই ব্যাপক ছিল যে পাইলটের কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এদিকে ইরানের আরেক সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ (Mehr News) জানায়, বিমানটি এত দ্রুত বিধ্বস্ত হয় যে পাইলট বের হওয়ার সুযোগ পাননি বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার মধ্যে এই দুটি ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।