ট্রাইব্যুনালে হাজিরের দিন থাকলেও রিমান্ডে থাকায় আনা হয়নি দুই সাবেক ডিজিএফআই প্রধানকে

মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের দিন নির্ধারিত থাকলেও, অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় সাবেক দুই উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে আদালতে আনা হয়নি।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম (Aminul Islam)। তিনি জানান, সাবেক ডিজিএফআই মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ (Sheikh Mamun Khaled) এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (Masud Uddin Chowdhury)-কে হাজিরের জন্য দিন ধার্য ছিল, কিন্তু তারা বর্তমানে অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করা সম্ভব হয়নি।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী (Nazrul Islam Chowdhury)-এর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ দিন নির্ধারণ করেন। তবে বাস্তবতায়, চলমান তদন্তের কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়নি।

মামলার অগ্রগতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও তথ্য উঠে এসেছে। মানবপাচার আইনে রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা একটি মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। গত ৪ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত এই রিমান্ডের আদেশ দেন।

অন্যদিকে, মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা একটি হ’\ত্যা মামলায় শেখ মামুন খালেদকেও তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। ফলে উভয়েই বর্তমানে পৃথক মামলার তদন্ত প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছেন।

এর আগে, গত ২৩ মার্চ রাতে ঢাকার নিজ বাসা থেকে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (Dhaka Metropolitan Detective Branch)। তিনি এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত।

পরবর্তীতে, ২৫ মার্চ রাতে মিরপুরের ডিওএইচএস এলাকায় নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার হন শেখ মামুন খালেদ। এই দুই সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে ঘিরে চলমান আইনি প্রক্রিয়া এখন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।