সাতক্ষীরার পশ্চিম সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে সমন্বিতভাবে যৌথ অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। সাম্প্রতিক অপহরণ ও গু’\লি’\তে আহতের ঘটনার পর এই উদ্যোগে নতুন করে তৎপরতা দেখা গেছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসন, বিজিবি, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও বনবিভাগের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সুন্দরবনের বিভিন্ন খাল ও দুর্গম এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
অভিযানের অংশ হিসেবে দস্যুদের সম্ভাব্য আস্তানা চিহ্নিত করে সেখানে নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় দস্যুদের উপস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে, সেসব জায়গায় অভিযান আরও বিস্তৃত করা হচ্ছে।
সম্প্রতি সুন্দরবনে বনজীবী অপহরণ এবং এক বনজীবী দস্যুদের গু’\লিতে আহত হওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই যৌথ অভিযান শুরু হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হলেও প্রশাসনের এই পদক্ষেপে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদ হোসাইন (Md. Rashed Hossain) বলেন, বনদস্যু নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
স্থানীয় বনজীবী ও বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, এই ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করা সম্ভব হবে এবং বনজীবীরা নিরাপদে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।


