মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) চীনকে সরাসরি সতর্ক করে দিয়েছেন—যদি তারা ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে, তাহলে এর জন্য ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে দেওয়া এই মন্তব্য তিনি করেন ফ্লোরিডার উদ্দেশ্যে হোয়াইট হাউস ত্যাগ করার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে।
সিএনএন (CNN)-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী চীন গোপনে ইরানকে সহায়তা করছে। ট্রাম্প বলেন, এই তথ্য যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে বেইজিংয়ের জন্য পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠবে। তার বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, ওয়াশিংটন এই ইস্যুকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনটি ভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানকে একটি নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই সম্ভাব্য পদক্ষেপকে কেবল সামরিক সহযোগিতা নয়, বরং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইরান আবারও তার সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পথে হাঁটছে। এতে তার গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠছে, যেখানে চীনের নাম সামনে আসায় আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এই উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—আগামী মাসের শুরুতেই চীন সফরের পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্পের। সেখানে শি জিনপিং (Xi Jinping)-এর সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে এই সতর্কবার্তা এবং সম্ভাব্য বৈঠক—দুটোই এখন বৈশ্বিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে, যেখানে সম্পর্কের টানাপোড়েন কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।


