বিনা পারিশ্রমিকে দুই হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন করে মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক কামরুল ইসলাম (Kamrul Islam) এবার চাঁদাবাজ চক্রের টার্গেটে পড়েছেন বলে জানা গেছে। নিরলস মানবসেবার জন্য দেশজুড়ে প্রশংসিত এই চিকিৎসক স্বাধীনতা পদকও পেয়েছেন।
এই ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির (Shafiqur Rahman) শফিকুর রহমান। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
শফিকুর রহমান লেখেন, অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম শুধু একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নন, বরং তিনি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের বন্ধু হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল, তবে তিনি কখনোই অবৈধ দাবির কাছে নতি স্বীকার করেননি।
তিনি আরও বলেন, শেষ পর্যন্ত এমন একজন প্রবীণ ও মানবিক চিকিৎসকের সঙ্গেও চক্রটি অসম্মানজনক আচরণ করেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়।
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ (Jamaat-e-Islami Bangladesh)-এর আমির তার পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, এমন মানবিক চিকিৎসকদের সমাজসেবা থেকে জনগণকে কারা বঞ্চিত করছে, তা এখন স্পষ্ট হওয়া উচিত। তিনি বলেন, এই ধরনের দুষ্টচক্রকে কঠোরভাবে দমন করা এখন সময়ের দাবি এবং জনগণেরও দাবি।
ফেসবুক (Facebook) পোস্টে তিনি অধ্যাপক কামরুল ইসলামের জন্য দোয়া কামনা করেন এবং বলেন, আল্লাহ যেন তাঁর মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দেন এবং অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করেন।
এই ঘটনায় চিকিৎসক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে, পাশাপাশি মানবিক চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
