‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতির মন্তব্য

দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নে জিয়াউর রহমানের অবদান পুনরায় আলোচনায় এসেছে রাষ্ট্রপতির এক বক্তব্যে। তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমান (Ziaur Rahman) সকল বিভাজন পেরিয়ে মানুষকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন, যা দেশের রাজনৈতিক দর্শনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা তৈরি করে।

রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে তুলে ধরেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে নানা মতাদর্শিক টানাপোড়েনের মধ্যে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। সেই প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমান ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণা সামনে এনে একটি সমন্বিত পরিচয়ের ভিত্তি নির্মাণে ভূমিকা রাখেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই পরিচয় কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রেও একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা করে। দেশের ভৌগোলিক সীমানা, ইতিহাস ও জনগণের অভিন্ন অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করেই এই জাতীয়তাবোধ গড়ে উঠেছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রপতির মতে, সেই সময়কার বাস্তবতায় একটি অভিন্ন জাতীয় পরিচয় প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য জরুরি হয়ে উঠেছিল। জিয়াউর রহমান সেই প্রয়োজন অনুধাবন করে একটি বিস্তৃত কাঠামোর মধ্যে জনগণকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেন, যা দেশের রাজনৈতিক ধারায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলেছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় ঐক্য ও পরিচয়ের এই ধারণা বর্তমান সময়েও প্রাসঙ্গিক, কারণ বহুমাত্রিক সমাজে সমন্বয় ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী পরিচয়বোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।