চার দফা ভোট গণনা শেষ হতে না হতেই ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় ৯০০ ভোটে এগিয়ে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুরুতে খানিকটা অনিশ্চয়তা থাকলেও, ধীরে ধীরে তার পক্ষে ফল ঘুরতে শুরু করে—এমনটাই জানাচ্ছে গণনা কেন্দ্রের প্রাথমিক চিত্র।
তবে প্রতিপক্ষ শিবিরে ভিন্ন সুর। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দৃঢ় কণ্ঠে দাবি করেছেন, মাত্র চার দফার ফল দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না। তার মতে, ১০ রাউন্ড গণনা শেষ হলেই ভবানীপুরে চিত্র পাল্টাবে এবং শেষ পর্যন্ত জয় পাবে ভারতীয় জনতা পার্টি (Bharatiya Janata Party)। শুধু তাই নয়, নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—এই দুই কেন্দ্রেই বিজেপির জয় নিশ্চিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক পিছিয়ে পড়া নিয়ে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, এবারের ভোটে সংখ্যালঘু ভোট একদিকে যায়নি। বরং সেই ভোট ছড়িয়ে পড়েছে একাধিক দলে। বিশেষ করে মালদহ ও মুর্শিদাবাদসহ বিভিন্ন জেলায় এই বিভাজন স্পষ্ট। তার দাবি, সংখ্যালঘু ভোটের একটি বড় অংশ গেছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (Indian National Congress), বাম দলসমূহ এবং ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (Indian Secular Front)-এর দিকে, যার প্রভাব পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)-এর ফলাফলে।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর সোমবার স্থানীয় সময় সকাল আটটা থেকেই বিভিন্ন গণনা কেন্দ্রে ভোট গণনা শুরু হয়। শুরু থেকেই উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ ছিল চোখে পড়ার মতো, আর তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে প্রতিটি রাউন্ডের ফলাফলে।


