আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ, যার ফলে যাত্রাবাড়ীতে সংঘটিত আলোচিত হ’\ত্যা মামলাটি আবারও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের অস্থির সময়ের মধ্যে সংঘটিত এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই ছিল ব্যাপক জনমত ও বিতর্ক।
এর আগে, গত বছর মামলার তদন্তের স্বার্থে আফ্রিদির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। ২৫ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালত এই আদেশ দেন, যা পরবর্তীতে মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মামলার নথি ঘেঁটে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী এলাকায় উপস্থিত ছিলেন আসাদুল হক বাবু। আন্দোলনের উত্তেজনাপূর্ণ সেই মুহূর্তে দুপুর আড়াইটার দিকে আসামিদের গু’\লিতে তিনি গুরুতরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসক শেষ পর্যন্ত তাকে মৃ’\ত ঘোষণা করেন।
ঘটনার প্রায় এক মাস পর, একই বছরের ৩০ আগস্ট নি’\হতের বাবা জয়নাল আবেদীন যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হ’\ত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটিতে তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রতিফলনও দেখা যায়—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়। এজাহারে নাসির উদ্দিন সাথীকে ২২ নম্বর এবং তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে ১১ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই মামলায় আপিল বিভাগের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নতুন করে আইনি ও জনমতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যেখানে প্রশ্ন উঠছে বিচারিক প্রক্রিয়ার গতি ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে।
