দেশের বিদ্যুৎ খাতে আবারও মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিদ্যুতের দাম ১৭ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর একটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে, যা কার্যকর হলে গ্রাহক পর্যায়ে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।
প্রস্তাবিত এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ইতোমধ্যেই ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির মধ্যে নতুন করে বিদ্যুতের খরচ বাড়লে সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয় আরও চাপে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি আমদানির খরচ এবং ভর্তুকির চাপ সামাল দিতে এই ধরনের প্রস্তাব সামনে আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক ভারসাম্য রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ বিবেচনা করা হচ্ছে।
তবে সমালোচকরা বলছেন, ঘন ঘন মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি বোঝা তৈরি করছে। তাদের মতে, দক্ষতা বাড়ানো এবং অপচয় কমানোর মাধ্যমে খরচ নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল, সরাসরি মূল্যবৃদ্ধির পথে না গিয়ে।
এদিকে, এই প্রস্তাব চূড়ান্ত হওয়ার আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন হবে। অনুমোদন পেলে নতুন দর কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা শিল্প ও আবাসিক—উভয় খাতেই প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুতের দাম বাড়লে এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; পরিবহন, উৎপাদন এবং পরিষেবা খাতেও এর প্রভাব পড়বে, যার ফলে সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।
এখন দেখার বিষয়, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাব নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং তা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব কতটা গভীর হয়।
