ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়ে গ্রে’\প্তার হয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আহমেদ আলী মুকিব (Ahmed Ali Mukib)। সামাজিক মাধ্যমে তার গ্রে’\প্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, গত ৯ মে সৌদি আরবের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে গ্রে’\প্তার করে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৪ মে তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ১৭ মে থেকে তার বি’\চার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনা দেয় দেশটির আদালত।
বিভিন্ন সূত্র বলছে, মক্কায় প্রবেশপত্রে জাল সিল ব্যবহারের অভিযোগে চেকপোস্টে আটকা পড়েন আহমেদ আলী মুকিব। এরপর মক্কা (Makkah) প্রশাসন তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করে। এর মধ্যে একটি অভিযোগ অবৈধভাবে মক্কায় প্রবেশের চেষ্টা এবং অন্যটি নকল সিল ব্যবহারের অভিযোগ।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কনস্যুলার অ্যাক্সেস চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আহমেদ আলী মুকিবের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়নি।
জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন (Md Kamal Hossain) জানান, আহমেদ আলী মুকিব ২৯ এপ্রিল থেকে ৮ মে পর্যন্ত ১০ দিনের ছুটি নিয়ে ওমরা পালনের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও তিনি দেশে ফেরেননি।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আহমেদ আলী মুকিব বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
