‘এ দেশে বিচার নেই’—আর কোনো বাবাকে যেন বলতে না হয়, রামিসা ইস্যুতে ক্ষোভ ঝাড়লেন শাকিব খান

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধ’\র্ষ’\ণের পর নৃ’\শংসভা’\বে হ’\ত্যা’\র ঘটনায় দেশজুড়ে যখন ক্ষোভ, শোক ও প্রতিবাদের ঢেউ বইছে, তখন সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিনোদন অঙ্গনের তারকারারাও সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শাকিব খান (Shakib Khan)।

বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ঢালিউডের এই শীর্ষ অভিনেতা শিশু রামিসার ওপর চালানো বর্বরতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান।

শাকিব খান লিখেছেন, “একটি শিশুর আর্তনাদ কখনোই শুধু একটি পরিবারের বেদনা হয়ে থাকে না, এই বেদনা সবার। শিশু রামিসার সঙ্গে হওয়া এই নৃ’\শংস ঘটনা পুরো সমাজের মানবিকতা, নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়।”

তিনি আরও বলেন, “এই মুহূর্তে দ্রুত, স্বচ্ছ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন; যে শাস্তি ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অপরা’\ধীদের মনে ভয় তৈরি করবে এবং সমাজে একটি স্পষ্ট বার্তা দেবে।”

ঢালিউড মেগাস্টারের ভাষায়, এমন জঘন্য অপরা’\ধের ক্ষেত্রে বিচার বিলম্বিত হওয়া মানে ভুক্তভোগী পরিবারের যন্ত্রণাকে আরও দীর্ঘায়িত করা। তাই এখন সময় এসেছে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার, যাতে আর কোনো শিশুকে এভাবে নির্মমতার শিকার হতে না হয়।

স্ট্যাটাসের শেষদিকে তিনি আবেগঘন ভাষায় লেখেন, “আর কোনো সন্তানের পিতাকে যেন আক্ষেপ করে বলতে না হয়—‘আমরা বিচার চাই না, এ দেশে বিচার নাই’।”

এদিকে সাত বছর বয়সী রামিসাকে ধ’\র্ষ’\ণ ও হ’\ত্যা’\র ঘটনায় সারাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহলে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে চলছে প্রতিবাদ।

মামলার প্রধান আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের অপরা’\ধ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার রাতে নিহত রামিসার বাসায় যান তারেক রহমান (Tarique Rahman)। সেখানে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাসও দেওয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী রোববারের মধ্যেই মামলার চার্জশিট দাখিলের চেষ্টা চলছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের মাধ্যমে দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।