জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনেই প্রয়াত সাবেক এমপি-মন্ত্রী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষ এবং সাম্প্রতিক আলোচিত কয়েকটি ঘটনার ভুক্তভোগীদের স্মরণে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। রোববার অধিবেশনের শুরুতে জাতীয় সংসদ (Jatiya Sangsad)-এ শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (Hafiz Uddin Ahmed)। পরে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
শোক প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর প্রয়াতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর মোনাজাত পরিচালনা করেন এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান।
অধিবেশনে তোফায়েল আহমেদ (Tofail Ahmed)-সহ মোট ১৬ জন সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক জানানো হয়। এর মধ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা ও সংসদ সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহ, দবিরুল ইসলাম, এবিএম আনোয়ারুল হক, মোসলেম উদ্দিন, সাবেক মন্ত্রী শফিক আহমেদ এবং দশম সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুল মতিন।
এছাড়া সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা, অধ্যাপক এম এ মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জিএম ফজলুল হক, জাতীয় পার্টি (Jatiya Party)-এর সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, গোলাম সারোয়ার মিলন এবং সিপিবির সংসদ সদস্য মো. সামসুদ্দোহাকেও স্মরণ করা হয়।
সংসদের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, প্রয়াত মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে অধিবেশনের প্রথম দিন শোক প্রস্তাব আনা হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী অধ্যাপক দিলারা হাফিজের মৃত্যুতেও শোক প্রকাশ করা হয়।
শোক প্রস্তাবে আরও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন সুফিয়া আহমেদ (Sufia Ahmed), কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সনজীদা খাতুন, সংগীতশিল্পী মুস্তফা জামান আব্বাসী, লেখক বদরুদ্দীন উমর, নজরুলসংগীত শিল্পী ডালিয়া নওশীন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান, শফিউল বারী বাবুসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজন।
একই সঙ্গে আলোচিত কয়েকটি ঘটনায় প্রাণ হারানো শিশু ও নারীদের প্রতিও শোক জানায় সংসদ। মিরপুরের শিশু রামিসা, ফাহিমা মিম, নরসিংদীর আমিনা এবং তাবাসসুম আক্তারের ঘটনায় শোক প্রকাশ করা হয়। সংসদে উল্লেখ করা হয়, ধ’\র্ষণ-পরবর্তী হ’\ত্যার শিকার এসব ঘটনার ভুক্তভোগীদের স্মরণে সংসদ শোক জানিয়েছে।
