নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁ’\স কাণ্ড এবং শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের চাপের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)-কে পদচ্যুত না করে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে দাবি করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এ খবর জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে (India Today)।
দিল্লি (Delhi)-র যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janata Party-CJP)-র নেতৃত্বে চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই রাহুল গান্ধী এই দাবি সামনে আনেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শিক্ষামন্ত্রীকে কেবল এক মন্ত্রণালয় থেকে অন্য মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা ভারতের শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই মেনে নেবে না। আন্দোলনকারীদের দাবি অনুযায়ী, তাকে মন্ত্রিসভা থেকে সম্পূর্ণভাবে বরখাস্ত করতে হবে।
দিল্লির ১০ জনপথে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রধান ও সুস্পষ্ট দাবি হলো—দুর্নীতিগ্রস্ত ও অযোগ্য এই শিক্ষামন্ত্রীকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মন্ত্রণালয় বদল করে সমস্যার সমাধান দেখানোর চেষ্টা শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ আরও বাড়াবে; কারণ আন্দোলনকারীরা কোনো আংশিক পদক্ষেপ নয়, সরাসরি জবাবদিহি চাইছেন।
গত সোমবার (২০ জুলাই) সংসদ অভিমুখে শিক্ষার্থীদের মিছিল ঘিরে পুলিশের লা’\ঠি’\চার্জ এবং অতিরিক্ত ব’ল\প্রয়োগেরও তীব্র নিন্দা জানান লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা। ওই ঘটনায় যেসব পুলিশ সদস্য দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)-র সাম্প্রতিক মধ্যরাতের বার্তার সমালোচনা করে রাহুল গান্ধী বলেন, এখন আর পরামর্শ নেওয়া বা আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণের সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের দাবি একটিই—শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
সরকারের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তৃতীয় দফার বৈঠকের ঠিক আগে রাহুল গান্ধীর এমন মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি করেছে। শিক্ষামন্ত্রীকে অন্য মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তার দাবি এবং পূর্ণ বরখাস্তের আহ্বান রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
