বিয়ের চাপ, বিজ্ঞাপনের প্রলোভন ও দুই ঘণ্টার নি’\র্যাতন—আশিয়ান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্নিগ্ধার মামলা

বিজ্ঞাপনের বড় অঙ্কের চুক্তির প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালে ডেকে নিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ার পর টানা দুই ঘণ্টা শা’\রীরিক নি’\র্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী (Snigdha Chowdhury)। তার অভিযোগের তির আশিয়ান গ্রুপ (Ashiyan Group) ও আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া (Md Nazrul Islam Bhuiyan)-এর দিকে।

অভিনেত্রীর দাবি, তাকে অন্য এক নারী ভেবে বিয়ে করতে চাপ দেন নজরুল। এতে সাড়া না দেওয়ায় হাত-পা বেঁধে পে’\টানো, শরীরে কুসুম গরম কফি ঢেলে দেওয়া, অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ এবং কফিতে নে’\শাজাত বা বি’\ষাক্ত দ্রব্য মিশিয়ে পান করানো হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মডেল কো-অর্ডিনেটর ইমনকেও শা’\রীরিক নি’\র্যাতন করা হয় এবং তার পায়ের নখ তু’\লে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

হালের ঢালিউডের বেশ কয়েকটি সিনেমায় প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি ও সুনাম অর্জন করেছেন স্নিগ্ধা চৌধুরী। পারিবারিক বন্ধন ও দায়বদ্ধতার মধ্যে থাকা এই অভিনেত্রী দীর্ঘদিন গসিপ ও বিতর্ক থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন। তবে এবার নিজেই প্রকাশ্যে এসে ভয়াবহ নি’\র্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন।

স্নিগ্ধার ভাষ্যমতে, গত ২৪ জুলাই শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত তাকে হাত ও পা বেঁধে নি’\র্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে গায়ে কুসুম গরম কফি ঢেলে দেওয়া এবং পরে জোর করে সেই কফি পান করানো হয়। তার দাবি, কফির মধ্যে নে’\শাজাত দ্রব্য মেশানো ছিল।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার সঙ্গে যাওয়া মডেল কো-অর্ডিনেটর ইমনকেও নজরুলের সহযোগীরা নি’\র্যাতন করেন। ইমনের পায়ের নখ তু’\লে ফেলা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

২০ লাখ টাকার বিজ্ঞাপনের প্রস্তাব

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে স্নিগ্ধা জানান, প্রায় এক বছর আগে পরিচয় হওয়া ইমন নামের একজন মডেল কো-অর্ডিনেটর তাকে ফোন করেন। ইমন একটি প্রতিষ্ঠানের হয়ে এক বছরের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেল হওয়ার প্রস্তাব দেন।

স্নিগ্ধার ভাষ্য অনুযায়ী, ইমন তাকে জানান, কাজটির মোট পারিশ্রমিক ২০ লাখ টাকা। এর মধ্যে স্নিগ্ধাকে দেওয়া হবে ১৭ লাখ টাকা। তবে কাজটি চূড়ান্ত করতে এবং চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরাসরি যেতে হবে।

এই প্রস্তাবের সূত্র ধরেই ২৪ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্নিগ্ধার বুকিং করা উবারে করে রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কের পাশে অবস্থিত আশিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (Ashiyan Medical College Hospital)-এ পৌঁছান তারা।

স্নিগ্ধা জানান, হাসপাতালে পৌঁছেই তার মনে সন্দেহ তৈরি হয়। করিডরে ফিঙ্গারপ্রিন্টনির্ভর নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখে তিনি ইমনকে প্রশ্ন করেন, ‘করিডরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট কেন?’

জবাবে ইমন তাকে জানান, প্রতিষ্ঠানের মালিক ভেতরে অবস্থান করায় হয়তো বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ভেতরে ঢুকে স্নিগ্ধা দেখতে পান, সেখানে বসে আছেন আশিয়ান গ্রুপ ও আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া। তার আশপাশে ঘনিষ্ঠ সহযোগী পলাশ, ব্যক্তিগত সহকারী মিয়ামিসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

অন্য নারী ভেবে ক্ষিপ্ত হওয়ার অভিযোগ

স্নিগ্ধার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে স্বাভাবিক আলাপচারিতা শুরু হয়। এর মধ্যেই চা, নাস্তা, কফি ও খেজুর বিস্কুট পরিবেশন করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই নজরুল হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।

অভিনেত্রীর দাবি, নজরুল তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তোরে কত বছর ধইরা খুঁজতাছি। আমি তোরে দুইবার বিয়া করছি। তোর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া না?’

স্নিগ্ধা জানান, নজরুল তাকে জেবা তাকিয়া (Jeba Takia) নামের এক নারী মনে করছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, নজরুল তাকে বলেন, ‘ফকিন্নি, তুই আমার কোটি কোটি টাকা খাইছস। এই ইমনরে লইয়া তোর মিরপুরের বাড়ির লাইগগা ৩০ লাখ টেকা দিয়া পর্দা কিনা দিসি।’

জবাবে স্নিগ্ধা বারবার জানান, তিনি জেবা তাকিয়া নন এবং তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নয়, উত্তরবঙ্গে।

কিন্তু এতেও নজরুল শান্ত হননি বলে দাবি অভিনেত্রীর। তার ভাষ্যমতে, নজরুল বলেন, ‘তুই আমার লগে ফাউল করছস। কতদিন কত জাইগা থোন তোরে আমি ধইরা আনসি। তুই আমার থেইকা টেকা লইয়া তোর বিদেশে থাকা নাগররে দিছত। তোর আমারে আবার বিয়া করতে হইব।’

সাদা স্ট্যাম্প ও ধা’\রাল অ’\স্ত্রের অভিযোগ

স্নিগ্ধার অভিযোগ, বিয়ের কথা বলার পর নজরুল তার সামনে একটি ফাঁকা স্ট্যাম্প ফেলে দেন। একই সঙ্গে হাতে তুলে নেন ত’\লোয়ারসদৃশ একটি ধা’\রাল অ’\স্ত্র। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

নিজের আতঙ্কের কথা জানিয়ে স্নিগ্ধা বলেন, তখন কী করবেন, তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। তিনি যতবারই বলছিলেন যে তিনি জেবা তাকিয়া নন, ততবারই নজরুল আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছিলেন।

স্নিগ্ধার ভাষ্য অনুযায়ী, তার সঙ্গে থাকা ইমন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বদলে ইশারায় তাকে জেবা তাকিয়ার পরিচয় মেনে নেওয়ার পরামর্শ দেন। ইমন তাকে সাদা দলিলে স্বাক্ষর করে বিজ্ঞাপনের চুক্তির টাকা নিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন।

তিনি বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে আমি বাধ্য হয়েই বাঁচার জন্য অন্য একটি ভুয়া নামে সই করে দিই।’

তবে দলিলে স্বাক্ষর করার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি বলে অভিযোগ করেন স্নিগ্ধা। তার দাবি, এরপর নজরুল কথিত ‘বাসর রাত’ করার জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে কক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে বের করে দিয়ে ত’\লোয়ার উঁচিয়ে তাকে বিছানার মতো দেখতে একটি সোফায় বসার নির্দেশ দেন।

হাত-পা বেঁধে নি’\র্যাতনের অভিযোগ

স্নিগ্ধা জানান, কথিত বাসর রাতের চাপ থেকে রক্ষা পেতে তিনি জানান যে তার মাসিক চলছে। এতে নজরুল আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাকে হ’\ত্যার হু’\মকি দিয়ে সোফায় বসতে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ তার।

অভিনেত্রীর ভাষ্যমতে, এরপর একটি রশি বের করে নজরুল বলেন, ‘রশি দেখছস? এটা দিয়ে ফাঁ’\সি দেয়। বহু বড় বড় লোককে এটা দিয়ে ফাঁ’\সি দিসি।’

এরপর তার আইফোনটি ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়। মোটা রশি দিয়ে প্রথমে তার পা বাঁধা হয়। রশি এত শক্ত করে বাঁধা হয়েছিল যে র’\ক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে আসছিল বলে দাবি করেন স্নিগ্ধা।

তিনি জানান, বিষয়টি নজরুলকে বলার পর তার ডান গালে চ’\ড় মারা হয়। এরপর সোফায় চেপে ধরে তার দুই হাতও বেঁধে ফেলা হয়। একপর্যায়ে শরীরের ওপর উঠে গলা চে’\পে ধরা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

স্নিগ্ধার দাবি, পরে দুটি লাঠি আনা হয়। সোফায় শোয়ানো অবস্থায় তার দুই পায়ের পাতায় মোটা লাঠি দিয়ে অন্তত ১৪ বার আ’\ঘাত করা হয়। এরপর চুল ধরে বসিয়ে ঘাড়ের মেরুদণ্ডের ওপরের অংশে পাঁচ থেকে সাতবার জোরে আ’\ঘাত করা হয়।

এ ছাড়া উরু, পিঠ, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে তাকে আ’\ঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন অভিনেত্রী।

গরম কফি ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ

স্নিগ্ধার ভাষ্য অনুযায়ী, নি’\র্যাতনের একপর্যায়ে নজরুলের নারী ব্যক্তিগত সহকারী মিয়ামি কক্ষে প্রবেশ করেন। তখন নজরুল কিছুটা শান্ত হয়ে কফি আনার নির্দেশ দেন।

হাত বাঁধা অবস্থায় স্নিগ্ধা কফি পান করতে আপত্তি জানান। তার অভিযোগ, এরপর নজরুলের নির্দেশে মিয়ামি তার হাতে কুসুম গরম কফি ঢেলে দেন। পরে সেই কফি পান করতেও তাকে বাধ্য করা হয়।

স্নিগ্ধার দাবি, কফিটির মধ্যে নে’\শাজাত কোনো দ্রব্য মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কফি পান করার পর তিনি শারীরিকভাবে আরও দুর্বল হয়ে পড়েন।

যেভাবে পালানোর দাবি স্নিগ্ধার

কীভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন, সেই বর্ণনাও দিয়েছেন স্নিগ্ধা চৌধুরী। তিনি জানান, একপর্যায়ে নজরুল হয়তো বুঝতে পারেন যে তিনি প্রকৃত জেবা তাকিয়া নন। এরপর তার হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দেওয়া হয়।

সুযোগ বুঝে ফিঙ্গারপ্রিন্টনির্ভর দরজাটি খোলা পেয়ে তিনি দ্রুত কক্ষ থেকে বেরিয়ে সামনের বারান্দার দিকে দৌড়ে যান। পরে সেই বারান্দা থেকে নিচে লাফিয়ে ৩০০ ফিট সড়কের দিকে পৌঁছান বলে দাবি তার।

সেখানে পাশের সড়কে চলতে থাকা একটি অটোরিকশা থামিয়ে তাতে উঠে পড়েন। এভাবেই তিনি প্রাণে রক্ষা পান বলে জানিয়েছেন।

স্নিগ্ধার পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার পর তার পুরো শরীরে আ’\ঘাতের চিহ্ন ছিল। বাসায় পৌঁছানোর পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

ঘটনাস্থল ঘুরে দেখার দাবি

অভিযোগের সূত্র ধরে একটি অনুসন্ধানী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্নিগ্ধার বর্ণনার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ের মিল পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

সেখানে প্রবেশের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিরাপত্তাব্যবস্থা, পালানোর কথা বলা বারান্দা এবং নজরুলের কক্ষ—সবকিছুই স্নিগ্ধার দেওয়া বর্ণনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়।

এ ছাড়া নজরুলের ঘনিষ্ঠ দুই কর্মচারীর একজন পলাশ এবং অন্যজন মিয়ামি বলেও অনুসন্ধানে নিশ্চিত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। সেদিন স্নিগ্ধার মুঠোফোনের লোকেশন ও সেখানে অবস্থানের সময়ের সঙ্গে তার বক্তব্যের মিল পাওয়া গেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

স্নিগ্ধার উবার বুকিংয়ের ডিজিটাল স্লিপও পাওয়া গেছে। হাসপাতালের ভেতরে নজরুলের অফিসকক্ষে সুড়ঙ্গের মতো আলাদা একটি কক্ষ রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ওই স্থানটিকে স্থানীয়রা নি’\র্যাতনকক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ

স্থানীয় বাসিন্দা কাঞ্চন মাস্টার অভিযোগ করেন, নজরুল প্রায়ই বিভিন্ন লোককে সেখানে এনে পে’\টান এবং র’\ক্তাক্ত করেন। তার দাবি, ভয়ের কারণে এলাকার কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পান না।

তিনি বলেন, ‘কেউ তার ভয়ে টু শব্দ করে না। মামলা তো অনেক পরের বিষয়। এলাকাবাসী তাকে বর্বর হিসেবে চেনে। তার এসব পা’\শবিক অ’\ত্যাচারে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও প্রায়ই এভাবে নি’\র্যাতন করা হয়।’

ইমনের অবস্থার বিষয়েও অভিযোগ

এদিকে ভিডিও কলে ইমনকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে ইমনের ওপর নি’\র্যাতন এবং পায়ের নখ তু’\লে ফেলার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইমন তখনো অচেতন ছিলেন বলেও জানানো হয়।

তবে ইমনের সঙ্গে নজরুলের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠতা ছিল বলেও অনুসন্ধানে উঠে আসার দাবি করা হয়েছে। ফলে প্রকৃত লক্ষ্য জেবা তাকিয়াকে না পেয়ে ইমনের ওপর নি’\র্যাতন চালানো হয়েছিল, নাকি স্নিগ্ধা জীবিত পালিয়ে আসায় তার ক্ষোভ ইমনের ওপর পড়ে—এমন প্রশ্নও সামনে এসেছে।

এসব প্রশ্নের উত্তর আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।

সব অভিযোগ অস্বীকার নজরুলের

অভিযোগের বিষয়ে মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য, স্নিগ্ধার তোলা অভিযোগগুলো মিথ্যা।

তবে স্নিগ্ধার মুঠোফোনের লোকেশন তথ্যের প্রসঙ্গ তোলা হলে নজরুল বলেন, তিনি স্নিগ্ধাকে চার বছর আগে চিনতেন।

তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি স্নিগ্ধাকে জেবা তাকিয়া ভেবে মে’\রেছেন এবং পরে বুঝতে পেরেছেন যে তিনি জেবা নন। জবাবে নজরুল পরদিন সকালে দেখা করার কথা বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

খিলক্ষেত থানায় মামলা

এ ঘটনায় মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রোববার (২৬ জুলাই) রাতে খিলক্ষেত থানা (Khilkhet Police Station)-এ মামলা করেছেন।

মামলায় বিজ্ঞাপনের চুক্তির কথা বলে ডেকে নেওয়া, বিয়ের জন্য চাপ, হাত-পা বেঁধে শা’\রীরিক নি’\র্যাতন, হু’\মকি এবং জোর করে নে’\শাজাত দ্রব্য পান করানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে।