থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে সায়নী ঘোষের সাক্ষাৎ, সৌজন্য নাকি অন্য কোনো ইঙ্গিত?

কখনও উত্তরীয় পরিয়ে বিজয়কে সংবর্ধনা দিচ্ছেন সায়নী ঘোষ, আবার কখনও করজোড়ে কুশল বিনিময় করতে দেখা গেল দুজনকে। একফ্রেমে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হাসিমুখে সেলফিও তুলেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ-অভিনেত্রী। থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে এমন আকস্মিক সাক্ষাতের মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে ফের কৌতূহল বাড়িয়েছেন সায়নী।

সাক্ষাতের ছবি ও মুহূর্ত সামনে আসতেই অনেকের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কারণ? সায়নী ও বিজয়ের একসঙ্গে থাকা বিভিন্ন মুহূর্ত ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

এদিকে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সায়নী ঘোষ। নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘তামিলনাড়ুর মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়ের সঙ্গে দেখা করে অত্যন্ত ভালো লাগল। তামিলনাড়ুর অভাবনীয় উন্নয়ন, নতুন সুযোগবৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের চিন্তাভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুর সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি তার ভালোবাসার কথাও জানিয়েছেন।’

শুধু সাক্ষাৎ নয়, থালাপতি বিজয়ের আতিথেয়তায় মুগ্ধতার কথাও জানিয়েছেন সায়নী। একই পোস্টে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি বিজয়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তামিলনাড়ুর উন্নয়নের জন্য উনি যে দৃষ্টিভঙ্গি বা লক্ষ্য স্থির করেছেন, তা বাস্তবায়নের জন্য আমার শুভকামনা রইল।’

সায়নী ঘোষের শেয়ার করা এই ফ্রেমবন্দি মুহূর্তগুলো সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই উঠেছে আরও নানা প্রশ্ন। বাংলার নেত্রী-অভিনেত্রী কি তাহলে বর্তমানে দক্ষিণমুখী? নাকি সিনেমার কাজের কারণেই তামিলনাড়ুতে গিয়েছেন তিনি?

তবে সাক্ষাতের ধরন ও প্রকাশিত মুহূর্ত দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ এটিকে নিছক সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ হিসেবেই দেখছেন। আপাতত সায়নী-বিজয়ের এই সাক্ষাৎকে ঘিরে কৌতূহল থাকলেও এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।