রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লার পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (Khaleda Zia)-এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। জুয়েল আরমান বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ফতুল্লা থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি (BNP) জোটের প্রার্থী এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (Jamiat Ulema-e-Islam)-এর যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে জুয়েল আরমানকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা খেজুরগাছে ভোট দিলে ধানের শীষ জয়যুক্ত হবে। মুফতি মনির হোসেন কাসেমীর খেজুরগাছ প্রতীক ধানের শীষেরই বিকল্প। তাই খেজুরগাছে ভোট দিলেই ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এই গণভোটে যদি “না” ভোট জয়যুক্ত হয়, তাহলে সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর নাম জয়যুক্ত থাকবে। আর যদি “হ্যাঁ” ভোট জয়যুক্ত হয়, তবে সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর নামে শুরু করিলাম—এই বাক্য পরাজিত হবে। সেজন্য নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের ভোটারদের স্পষ্টভাবে বলছি, আমরা সবাই “না” ভোট দেব।’
এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে জুয়েল আরমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
একইভাবে, বক্তব্যের প্রসঙ্গে জানতে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনিও কোনো সাড়া দেননি।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লার পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (Khaleda Zia)-এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। জুয়েল আরমান বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ফতুল্লা থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি (BNP) জোটের প্রার্থী এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (Jamiat Ulema-e-Islam)-এর যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে জুয়েল আরমানকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা খেজুরগাছে ভোট দিলে ধানের শীষ জয়যুক্ত হবে। মুফতি মনির হোসেন কাসেমীর খেজুরগাছ প্রতীক ধানের শীষেরই বিকল্প। তাই খেজুরগাছে ভোট দিলেই ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এই গণভোটে যদি “না” ভোট জয়যুক্ত হয়, তাহলে সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর নাম জয়যুক্ত থাকবে। আর যদি “হ্যাঁ” ভোট জয়যুক্ত হয়, তবে সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর নামে শুরু করিলাম—এই বাক্য পরাজিত হবে। সেজন্য নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের ভোটারদের স্পষ্টভাবে বলছি, আমরা সবাই “না” ভোট দেব।’
এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে জুয়েল আরমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
একইভাবে, বক্তব্যের প্রসঙ্গে জানতে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনিও কোনো সাড়া দেননি।
