আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের পরিবর্তে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সোমবার সলিসিটর মঞ্জুরুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আমিনুল ইসলাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম (Bangladesh Jatiyatabadi Ainjeebi Forum)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। আইনজীবী হিসেবে তিনি বিভিন্ন আলোচিত মামলায় সম্পৃক্ত ছিলেন।
বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহ ও হ’\ত্যা মামলার আসামিদের পক্ষে অন্যতম আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। তিনি বিডিআর বিস্ফোরক মামলার শুনানিতে আসামিদের খালাস ও জামিনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।
আমিনুল ইসলাম হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মাধবপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুফিয়া আক্তার হেলেনের স্বামী।
এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে তাজুল ইসলামকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদায় চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৪টি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন। বর্তমানে এসব মামলার বিচারকাজ চলছে ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২-এ। ইতোমধ্যে তিনটি মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। ঘোষিত রায়ে দণ্ডিত ২৬ জনের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina), সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল (Asaduzzaman Khan Kamal)সহ পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হ’\ত্যা মামলাসহ দুটি মামলা। আগামী ৪ মার্চ রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারিত রয়েছে।
এছাড়া আওয়ামী লীগ (Awami League) সরকারের শাসনামলে গু’\ম-নি’\র্যাতনের মামলারও বিচার চলছে ট্রাইব্যুনালে। বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান (Ziaul Ahsan)সহ আওয়ামী লীগের একাধিক প্রভাবশালী এমপি-মন্ত্রী।
