ইরানের সর্বশেষ শাহ :contentReference[oaicite:0]{index=0}-র জ্যেষ্ঠ পুত্র :contentReference[oaicite:1]{index=1} দেশটির সর্বোচ্চ নেতা :contentReference[oaicite:2]{index=2}-র মৃত্যুকে স্বাগত জানিয়ে একে একটি ‘উপশম’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত পাহলভি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে খামেনিকে ‘আমাদের সময়ের এক রক্তপিপাসু স্বৈরশাসক’ বলে আখ্যায়িত করেন।
তিনি দাবি করেন, খামেনির মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ইসলামী প্রজাতন্ত্র কার্যত তার অন্তিম সময়ে পৌঁছেছে এবং খুব শিগগিরই এটি ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।
রেজা পাহলভি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, খামেনির কোনো উত্তরসূরি নিয়োগের চেষ্টা শুরু থেকেই ব্যর্থ হতে বাধ্য। ইরানের জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এটি একটি ‘মহৎ জাতীয় উৎসবের’ সূচনা হতে পারে, তবে লড়াই এখনও শেষ হয়নি।
বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ বিরোধী বিক্ষোভকারীকে উজ্জীবিত করতে সমর্থ হলেও সমালোচকদের মতে পাহলভি কোনো ঐক্যবদ্ধ ব্যক্তিত্ব নন; বরং তিনি একটি বিতর্কিত চরিত্র। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে যে ইরানি সমাজ শাহের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল, সেখানে রাজতন্ত্রের প্রতি সহমর্মিতা আজও নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হয়।
উল্লেখ্য, ইরানে ক্ষমতাচ্যুত রাজতন্ত্রের প্রতি সমর্থন জানানো একটি দণ্ডনীয় অপরাধ এবং সামাজিকভাবেও এটি নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও পাহলভি বর্তমানে ইরানের বিরোধী শিবিরের অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত।
সূত্র: :contentReference[oaicite:3]{index=3}


