রমজান মাস শেষ হওয়ার পরপরই স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ (Abdur Rahmanel Masud)।
রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রিপোর্টারস ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (Reporters Forum for Election and Democracy – RFED) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
ইসি মাছউদ বলেন, “আশা করছি শিগগিরই, অর্থাৎ রমজান মাসের পরপরই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হবে। তার আগে আমাদের উপনির্বাচন রয়েছে; সেগুলোর তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। উপনির্বাচনগুলোও যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।”
তিনি আরও বলেন, আসন্ন বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে পুরো বছর, এমনকি একাধিক বছর নির্বাচন কমিশনকে ব্যস্ত থাকতে হবে। নির্বাচন আয়োজনের ধারাবাহিকতায় কমিশনের প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব প্রসঙ্গে মাছউদ বলেন, “নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য দায়বদ্ধ। আইন কী হবে, সেটির দায় কমিশনের নয়। আইন প্রণয়ন করবে সংসদ। সংসদ নির্বাচনসংক্রান্ত যে আইন করবে, সেই আইন অনুযায়ী সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও ভালো নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব কমিশনের।”
চলমান উপনির্বাচন নিয়ে কমিশনের তৎপরতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার পর্যায়ের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে কি না—সে বিষয়ে সংসদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে কমিশন। বিষয়টি চূড়ান্ত হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে ইসি মাছউদ বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে কোথাও কোনো ঘাটতি থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। কমিশন ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করার আহ্বান জানিয়ে সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করেন নির্বাচন কমিশনার।
সূত্র: বাসস
