ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। এই অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, সাবেক প্রেসিডেন্টসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও কমান্ডারদের নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট :contentReference[oaicite:0]{index=0} ঘোষণা দিয়েছেন, সব লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত ইরানে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি জানান, এই সামরিক অভিযান পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।
এদিকে :contentReference[oaicite:1]{index=1} এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, সৌদি যুবরাজ :contentReference[oaicite:2]{index=2} এবং ইসরায়েলের চাপে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে হামলা শুরু করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকাশ্যে বিরোধিতা করলেও গোপনে হামলার পক্ষে চাপ দিচ্ছিলেন সৌদি যুবরাজ।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী :contentReference[oaicite:3]{index=3} জানিয়েছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ফ্রান্স খামেনিকে হত্যার ঘটনায় সন্তুষ্টির কথা জানায়। সর্বশেষ ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের ‘নির্বিচারে ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তারা উদ্বিগ্ন এবং নিজেদের ও উপসাগরীয় মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।
তিন দেশের নেতারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ সক্ষমতা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


