শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় সাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan)-সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২০ মে নির্ধারণ করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (Anti-Corruption Commission – ACC) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়সাল (Md. Sabbir Faisal)-এর আদালত নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
দুদকের জিআর শাখার কর্মকর্তা আক্কাস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত দিনে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় সার্বিক তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সময়ের আবেদন করে তদন্তকারী সংস্থা। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই আদালত আগামী ২০ মে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এই মামলায় সাকিব আল হাসান ছাড়াও উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের ও তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির এবং তানভীর নিজাম।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অবৈধভাবে ‘সিরিজ ট্রানজেকশন’, প্রতারণামূলক ‘অ্যাক্টিভ ট্রেডিং’, গ্যাম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কারসাজি করেছেন। নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের এসব কর্মকাণ্ডে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের ১৭ জুন মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।


