যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei)। এর প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ইরান তার প্রতিশোধমূলক হামলায় মার্কিন দূতাবাস ও সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করছে। সর্বশেষ ঘটনা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ (Riyadh)-এ অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, দূতাবাস প্রাঙ্গণে দুটি ড্রোন আঘাত হানে। হামলায় সামান্য আগুন লাগে এবং ভবনের কিছু অংশে সীমিত ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। তবে বিস্তৃত ধ্বংস বা হতাহতের ঘটনা রিপোর্ট করা হয়নি।
হামলার পরই আল নাসরের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (Cristiano Ronaldo) তার ব্যক্তিগত বিমানে সৌদি আরব ত্যাগ করেছেন। রোনালদো তার গার্লফ্রেন্ড জর্জিনা এবং পাঁচ সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়েন। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের তথ্য অনুযায়ী, হামলার প্রাথমিক প্রভাব সীমিত হলেও নিরাপত্তা ও উত্তেজনার কারণে রোনালদোর পদক্ষেপ নেয়া হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সাম্প্রতিক সংঘাত আরও গভীর আকার নিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। মার্কিন দূতাবাস ও ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও সতর্ক হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে সৌদি আরব ও নিকটবর্তী অঞ্চলের জনজীবন ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে।


