বাংলাদেশের কিংবদন্তি টেবিল টেনিস খেলোয়াড় :contentReference[oaicite:0]{index=0} ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে। এ বছর লিনুসহ মোট ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতির জন্য মনোনীত করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী :contentReference[oaicite:1]{index=1}–ও।
১৯৬৫ সালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে জন্ম নেওয়া লিনু অল্প বয়সেই টেবিল টেনিসে নিজের প্রতিভার জানান দেন। বাবার অনুপ্রেরণায় সিলেটের শাহাজীবাজার অফিসার্স ক্লাবে মাত্র আট বছর বয়সে তার খেলার হাতেখড়ি। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি প্রথমবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর ১৯৭৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জাতীয় মহিলা সিঙ্গেলসে ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গড়ে তোলেন এক অনন্য রেকর্ড।
তার এই অসাধারণ অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালে নাম অন্তর্ভুক্ত হয় :contentReference[oaicite:2]{index=2}–এ। দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স স্পোর্টস ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। টেবিল টেনিসে অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে লাভ করেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও লিনু সাফল্যের ছাপ রেখেছেন। ১৯৮০ সালে :contentReference[oaicite:3]{index=3}–এ পঞ্চম স্থান অর্জন করেন। ১৯৮২ সালে ভারতের হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত পেন্টাঙ্গুলার চ্যাম্পিয়নশিপে মিক্সড ডাবলসে রানার্স-আপ হন। এছাড়া ১৯৭৭ ও ২০০০ সালে :contentReference[oaicite:4]{index=4}–এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের দায়িত্বও পালন করেন। তিনি :contentReference[oaicite:5]{index=5}–এর সহ-সভাপতি এবং :contentReference[oaicite:6]{index=6}–এর অ্যাথলেট কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তার এই স্বীকৃতিতে ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে। একই সঙ্গে ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও অনুরাগীরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা ও অবদানের যথাযথ স্বীকৃতিই এই মনোনয়ন।
