ভারতের বনগাঁ থেকে গ্রেফতার ফয়সাল ও আলমগীর: বাংলাদেশ কনস্যুলার অ্যাক্সেস চেয়ে নিয়েছে

শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ওরফে মাসুদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে ভারতীয় পুলিশ। এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দুজনের কনস্যুলার অ্যাক্সেস চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী :contentReference[oaicite:0]{index=0}।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিষয়ে ভারতের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের কলকাতা মিশন রোববারই (৮ মার্চ) ভারতের কাছে কনস্যুলার অ্যাক্সেসের অনুরোধ করেছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত এই সুবিধা মিলবে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী :contentReference[oaicite:1]{index=1}-কে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, তাদের বিচারে সরকার আন্তরিক রয়েছে।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা–৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে চেয়েছিলেন। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর তিনি পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিম গুলি চালিয়ে হাদিকে হত্যা করেন এবং আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী আলমগীর হোসেন এই হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করেন। হত্যার পরিকল্পনা ও নির্দেশনাও তাদের দিক থেকেই আসে। ঘটনার পর তিনজনই ভারতে পালিয়ে যান।

(৮ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্সের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফয়সাল করিম (৩৭) ও আলমগীর হোসেন (৩৪) বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার হয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

গ্রেফতারের পর তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক :contentReference[oaicite:2]{index=2}।