জ্বালানি সংকটে নতুন সিদ্ধান্ত: ফিলিং স্টেশনে অকটেন–পেট্রল সরবরাহ কমানোর হার ২৫% থেকে নামিয়ে ১৫%

ইরান–ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে অকটেন ও পেট্রল সরবরাহ নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিভাগীয় শহরগুলোতে জ্বালানি তেলের গড় বিক্রয় কমানোর হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (Bangladesh Petroleum Corporation)। সংস্থাটির সচিব শাহিনা সুলতানা (Shahina Sultana) স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলমান বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে বিপিসি জ্বালানি তেল সরবরাহ ও গ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।

এই নির্দেশনার আওতায় দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে অকটেন ও পেট্রলের গড় বিক্রয় কমানোর যে হার আগে ২৫ শতাংশ নির্ধারিত ছিল, সেটি পরিবর্তন করে এখন ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। অর্থাৎ, পূর্বের তুলনায় কিছুটা বেশি পরিমাণ জ্বালানি তেল ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহ করা হবে।

বিপিসি জানিয়েছে, সংশোধিত এই হার অনুযায়ী ফিলিং স্টেশনগুলোতে নির্ধারিত বরাদ্দ চার্ট অনুসারে অকটেন ও পেট্রল সরবরাহ করা হবে। এর ফলে বিভাগীয় শহরগুলোর ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, হ্রাসকৃত বরাদ্দ অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ কার্যক্রম সঠিকভাবে নিশ্চিত করতে বিপিসির অধীনস্থ বিপণন কোম্পানিগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে ডিপো সুপার, বিক্রয় কর্মকর্তা এবং ডিলার বা এজেন্টদের এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।