ইমাম ও মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত এবং বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষদের জন্য চালু হওয়া নতুন সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)।
শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন (Osmani Memorial Auditorium)-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী পর্বে প্রতীকীভাবে কয়েকজন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বিহার অধ্যক্ষের হাতে সম্মানীর অর্থ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় (Ministry of Information and Broadcasting) এক বার্তায় জানায়, দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকদেরও এই সম্মানী প্রদান কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে।
সরকারি সূত্র বলছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তিদের প্রতি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং সহায়তা নিশ্চিত করার একটি কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (Ministry of Public Administration) সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য মোট ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই অর্থের মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন পাবেন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেমের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ২ হাজার টাকা।
অন্যদিকে প্রতিটি মন্দিরের জন্য মোট ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সেখান থেকে পুরোহিতকে দেওয়া হবে ৫ হাজার টাকা এবং সেবায়েত পাবেন ৩ হাজার টাকা করে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা ও দায়িত্বের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়েই পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বিস্তৃত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
