মিরপুর মডেল থানার দে’\লো’\য়া’\র হ’\ত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদ (Sheikh Mamun Khaled)-এর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ (Md. Siddiq Azad)-এর আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
শুনানি চলাকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী (Omar Faruk Faruki) বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (Khaleda Zia)-কে ক্যান্টনমেন্ট থেকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়ার ঘটনায় এই মামুন খালেদের ভূমিকা ছিল। এর ফলে তিনি শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)-র কাছ থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
পিপি ফারুকী আরও দাবি করেন, ছাত্র আন্দোলনের সময় আসামি মামুন খালেদের নির্দেশে হামলা চালানো হয়, যেখানে দে’\লো’\য়া’\র নামের একজন নি’\হত হন। তিনি বলেন, আসামির অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা ও কর্মকাণ্ড সবার জানা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১/১১ সময়কালে ডিজিএফআইয়ে কর্মরত অবস্থায় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতাদের আটকে রেখে অর্থ আদায় এবং হেনস্তার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের সময় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং পুরস্কার হিসেবে ডিজিএফআই প্রধানের দায়িত্ব পান বলে অভিযোগ তুলে ধরেন পিপি।
শুনানিতে আরও বলা হয়, তথাকথিত ‘আয়নাঘর’ তৈরির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং সেখানে গু’\লি ও গান পাউডার ব্যবহার করে মানুষ হ’\ত্যাসহ নানা অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া ডিজিএফআইকে রাজনীতিকরণের পেছনেও তার ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এছাড়া জলসিঁড়ি প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও তুলে ধরা হয়। ইতোমধ্যে তার স্ত্রীসহ বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়।
তদন্তের স্বার্থে এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হলে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


