যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অভিযানে একাধিক বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, মা’দক ও জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ধারাবাহিক অভিযানে একাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে মা’দক ব্যবসা, জালিয়াতি এবং অন্যান্য অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর এই অভিযানকে জননিরাপত্তার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ।

ভার্জিনিয়ার ভার্জিনিয়া (Virginia) অঙ্গরাজ্যের চ্যান্টিলি শহর থেকে মাহতাবউদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে গাঁ’জা ও অন্যান্য মা’দক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, টেক্সাস (Texas) অঙ্গরাজ্যের মার্লিন শহর থেকে নেওয়াজ খানকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও মা’দকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

একই ধরনের অভিযোগে ভার্জিনিয়ার মানাসাস শহর থেকে ইশতিয়াক রাফিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, তার কাছে অ’স্ত্র ও মা’দক উভয়ই পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে।

এদিকে ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির অভিযোগে মিশিগান (Michigan) অঙ্গরাজ্যের মাউন্ট ক্লেমেন্স থেকে আলমগীর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযোগে অ্যারিজোনা থেকে কণক পারভেজ নামের আরেক বাংলাদেশিকেও আটক করা হয়।

ফ্লোরিডার প্যানস্কলা শহর থেকে চুরির অভিযোগে শাহরিয়া আবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা এই ধারাবাহিক অভিযানের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)-এর নির্দেশনায় জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শনাক্ত করা হচ্ছে। দপ্তরের আওতাধীন ডিএইচএস (DHS) জানিয়েছে, তারা এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে যারা গুরুতর অপরাধে জড়িত।

একইসঙ্গে আইসিই (ICE)-এর সদস্যদের ভূয়সী প্রশংসা করে বলা হয়েছে, তারা প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থাটি আরও জানায়, গুরুতর অপরাধে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই বিতাড়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।