ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার প্রতিবাদে সিলেটজুড়ে পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে ধ’\র্মঘট

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা করার প্রতিবাদে সিলেট বিভাগ (Sylhet Division)-এর সব পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে ধ’\র্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত থেকেই এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (Bangladesh Petroleum Dealers, Distributors, Agents and Petrol Pump Owners Association)-এর বিভাগীয় সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মোবাইল কোর্টের অভিযানের নামে পেট্রোল পাম্পে চাঁদাবাজি চলছে। তার ভাষ্য, প্রায় প্রতিদিনই এমন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এমন অবস্থায়, যখন চাহিদামতো জ্বালানি তেল সরবরাহই মিলছে না, তখন অতিরিক্ত চাপ আর জরিমানার বোঝা নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণেই তারা ধ’\র্মঘটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পেট্রোল পাম্প মালিক সংগঠনের একাধিক নেতার বক্তব্যেও একই ধরনের ক্ষোভ উঠে এসেছে। তাদের দাবি, শুধু অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় নয়, জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে প্রশাসনের নানা বাধ্যবাধকতাও মালিকদের চাপে ফেলছে। ট্যাগ অফিসার নিয়োগ, বিজিবি (Border Guard Bangladesh)-কে ডিপোতে মোতায়েনসহ সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত জ্বালানি ব্যবসার স্বাভাবিক পরিবেশে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে বলে তারা মনে করছেন। পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন তারা।

এর আগে বুধবার দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসন (Sylhet District Administration) ও র‌্যাব (Rapid Action Battalion)-এর যৌথ অভিযানে নগরের এ অ্যান্ড এ অ্যাসোসিয়েটস (A and A Associates) নামের একটি পেট্রোল পাম্পকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগ ছিল, সরকার নির্ধারিত পরিমাণের বেশি পেট্রোল মজুত রাখা হয়েছিল। সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পাম্প মালিকদের মধ্যে ক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত বিভাগজুড়ে ধ’\র্মঘটের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।