মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) দাবি করেছেন, তিনি ভেনেজুয়েলায় অত্যন্ত জনপ্রিয়—এমনকি সুযোগ পেলে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও অংশ নিতে পারেন। এনডিটিভি (NDTV)-র খবরে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে কিছুটা রসিকতার সুরে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলায় যদি তিনি প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হন, তাহলে আগের যেকোনো প্রার্থীর তুলনায় বেশি সমর্থন পাবেন। তার ভাষায়, “আমি এখানের কাজ শেষ করলে ভেনেজুয়েলায় যাব। খুব দ্রুত স্প্যানিশ শিখে ফেলব—ভাষা শেখায় আমি ভালো। তারপর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করব।”
তবে একইসঙ্গে তিনি জানান, বর্তমানে ভেনেজুয়েলার দায়িত্বে যিনি রয়েছেন, তার প্রতি তিনি সন্তুষ্ট। এই বক্তব্যে রাজনৈতিক বার্তার পাশাপাশি কূটনৈতিক ভারসাম্যের ইঙ্গিতও দেখা যাচ্ছে।
চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো (Nicolas Maduro) এবং তার স্ত্রীকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যায়। এরপর দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগ্রেজ (Delcy Rodriguez) ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে সংঘাত “মাত্র ৪৫ মিনিটেই শেষ হয়ে গেছে।” তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই দেশটি থেকে বিপুল পরিমাণ তেল সংগ্রহ করেছে।
তিনি বলেন, “আমরা শত শত মিলিয়ন ব্যারেল তেল নিয়েছি—যা এখন হিউস্টনে পরিশোধিত হচ্ছে। এই তেল দিয়েই যুদ্ধের খরচ বহুবার উঠে এসেছে।” তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় “ভালো মানুষ” দায়িত্বে আছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ইতিবাচক। তিনি এই সম্পর্ককে “অংশীদারিত্ব” হিসেবে আখ্যা দেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুলো একদিকে যেমন কৌতুকের আবহ তৈরি করেছে, অন্যদিকে তেমনি আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে নতুন প্রশ্নও উত্থাপন করেছে।


