৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘু’\সের অভিযোগে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল হাসানকে অব্যাহতি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আবুল হাসান (Abul Hasan)-কে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একজন বিচারপ্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘু’\স নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল (Ruhul Quddus Kajal)।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা মো. সারোয়ার খালেদ (Sarwar Khaled) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৬ এপ্রিল) দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে আবুল হাসানের নিয়োগ বাতিল করা হয়।

রুহুল কুদ্দুস কাজল গণমাধ্যমকে জানান, দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় দিনেই তাকে এই অভিযোগ সম্পর্কে অবহিত করা হয়। তিনি বলেন, “অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় আমি সংশ্লিষ্ট সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে কথা বলি। কিন্তু তার জবাব আমার কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি।”

অভিযোগ অনুযায়ী, একটি মামলায় বিদ্যমান স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আশ্বাস দিয়ে বিচারপ্রার্থী সারোয়ার খালেদের কাছ থেকে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘু’\স গ্রহণ করেন আবুল হাসান। বিষয়টি সামনে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে গত ২৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজলকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। ২৯ মার্চ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই এমন একটি গুরুতর অভিযোগ তার সামনে আসে, যা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেন তিনি।

তিনি আরও জানান, অভিযোগটি এর আগেই অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা হয়েছিল এবং ৩১ মার্চ বিষয়টি তার দৃষ্টিগোচর করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনায় আইন অঙ্গনে নতুন করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন সামনে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।