জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ ও দু’\র্নী’\তি’\র অভিযোগ ঘিরে তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্পিকারের নির্দেশে গঠিত এই কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংসদ সচিবালয়ের মানবসম্পদ শাখা-১ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আদেশে স্বাক্ষর করেন সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া (Barrister Md. Golam Sarwar Bhuiyan)।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (ABM Ashraf Uddin Nizam)-কে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ময়মনসিংহ-৮ আসনের লুৎফুল্লাহেল মাজেদ (Lutfullahhel Majed), ঢাকা-১২ আসনের মো. সাইফুল আলম (Md. Saiful Alam), চট্টগ্রাম-৭ আসনের হুমাম কাদের চৌধুরী (Humam Qader Chowdhury) এবং কুমিল্লা-৪ আসনের মো. আবুল হাসনাত (Md. Abul Hasnat)।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকসহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ‘সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওইসব প্রতিবেদনে কেনাকাটায় অনিয়ম ও দু’\র্নী’\তি’\র যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি সংসদের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে স্পিকার এই তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে সরেজমিনে তদন্ত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি—যেমন ক্যামেরা, ব্যাগ ও কার্ড রিডার—কেনাকাটায় অস্বাভাবিক ব্যয়ের অভিযোগ ওঠে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাজারমূল্যের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দামে এসব পণ্য কেনা হয়েছে, যার মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি ঘিরে জনমনে যেমন প্রশ্ন উঠেছে, তেমনি রাজনৈতিক অঙ্গনেও তৈরি হয়েছে তীব্র আলোচনা।
