ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর আ’\ত্মহ’\ত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত এক শিক্ষককে কারাগারে রাখার আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতের কাছে এই আবেদন করেন, যেখানে বলা হয়—ঘটনার গুরুত্ব, সাক্ষ্যপ্রমাণ সংরক্ষণ এবং তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন।
ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সহপাঠীরা দাবি করছেন, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ ও হয়রানির শিকার ছিলেন ওই শিক্ষার্থী। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত এখনও চলমান, তবে বিভিন্ন মহল থেকে নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের দাবি উঠেছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তি তুলে ধরে বলেছে—অভিযুক্ত শিক্ষক জামিনে মুক্ত থাকলে তদন্ত প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি সাক্ষীদের ওপর প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এসব বিবেচনায় তাকে কারাগারে রাখার আবেদন জানানো হয়।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এই আবেদনের বিরোধিতা করে বলেছেন, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত একজনকে কারাগারে রাখা উচিত নয়। তারা দাবি করেন, বিষয়টি তদন্তাধীন এবং আদালতের উচিত সবদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেওয়া।
এই ঘটনায় শিক্ষার্থী মহল ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন অংশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন বলে জানা গেছে। এদিকে পুরো বিষয়টি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
