ভারতের দিল্লি (Delhi)-র নাংলোই এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি স্লিপার বাসে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধ’\র্ষ’\ণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাসটির চালক ও তার সহকারীকে গ্রে’\প্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি (NDTV)-র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার রাতে দিল্লির রানি বাগ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই নারী জানিয়েছেন— দুই ব্যক্তি বাসের ভেতরে তাকে ধ’\র্ষ’\ণ করে। নির্যা’\তনের শিকার নারী পিতমপুরার একটি বস্তি এলাকায় বসবাস করেন এবং মঙ্গোলপুরীর একটি কারখানায় কাজ করেন।
দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) জানিয়েছে, ঘটনায় ব্যবহৃত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার সবদিক খতিয়ে দেখে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
এদিকে ভারতীয় বার্তাসংস্থা আইএএনএস (IANS)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১১ মে রাতে প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন ওই নারী। এ সময় সরস্বতী বিহারের একটি বাসস্টপে একটি স্লিপার বাস এসে দাঁড়ায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সময় জানতে বাসের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তির কাছে যান তিনি। এরপর তাকে জোর করে বাসের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে অভিযুক্তরা বাসটি নিয়ে নাংলোইয়ের দিকে যায় এবং সেখানেই তাকে যৌ’\ন নি’\র্যা’\তন করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নির্যা’\তনের শিকার নারী বিবাহিত এবং তার তিন সন্তান রয়েছে। মেডিকেল পরীক্ষা শেষে এ ঘটনায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই অভিযুক্তকে গ্রে’\প্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে।
এই ঘটনা আবারও সামনে নিয়ে এসেছে ২০১২ সালের বহুল আলোচিত ‘নির্ভয়া’ ঘটনার স্মৃতি। সে সময় দিল্লিতে বাসের ভেতরে ২৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে দলবদ্ধ ধ’\র্ষ’\ণ ও নি’\র্যা’\তনের পর রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনা পুরো ভারতকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এবং দেশজুড়ে ন্যায়বিচারের দাবিতে গণআন্দোলন গড়ে উঠেছিল।


