রুপালি পর্দায় নানা আলোচনা, সমালোচনা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রোল—সবকিছুর বাইরে গিয়ে এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন এক অধ্যায়ের খবর দিলেন আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে এবার তিনি অংশ নিয়েছেন এমন একটি প্রজেক্টে, যেখানে তার সঙ্গে একই পর্দায় দেখা যাবে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান কোয়ামে মামদানিকে।
প্রবাসীদের জীবনযাত্রা, সংগ্রাম, আবেগ এবং বাস্তবতার নানা গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত শর্টফিল্ম ইমিগ্রেন্ট ডায়েরিস এপিসোড ২ (Immigrant Diaries Episode 2)-এ এই অভিনয় করেছেন তিনি। যৌথভাবে শর্টফিল্মটি পরিচালনা করেছেন জন কবির (John Kabir) এবং সাদ আল আমীন (Saad Al Amin)।
আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ‘ঠিকানা’র পর্দায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত এই প্রজেক্ট। এর আগে গত মার্চে মুক্তি পাওয়া প্রথম পর্ব দর্শকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাড়া তৈরি করেছিল।
বিশ্বের পরিচিত একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে একই ফ্রেমে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জায়েদ খান (Zayed Khan)। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, জোহরান মামদানি সরাসরি এই শর্টফিল্মে অভিনয় করেছেন। এমন একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কাজের সুযোগকে তিনি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবে নয়, বাংলাদেশের জন্যও গর্বের একটি মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।
এই কাজের নেপথ্যের গল্পও শেয়ার করেছেন তিনি। জায়েদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘ঠিকানা’র রুহিন হোসেন ও তার স্ত্রী আনুভা শাহীন হোসেনের প্রচেষ্টায় মেয়রের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও বিস্তারিত তথ্য ইমেইলের মাধ্যমে পাঠানোর পর কিছুদিন অপেক্ষার পর শুটিংয়ের অনুমতি এবং সময়সূচি পাওয়া যায়।
শুটিং সেটে উপস্থিত হয়ে ক্ষমতাধর এই ব্যক্তির আচরণও তাকে মুগ্ধ করেছে বলে জানিয়েছেন অভিনেতা। জায়েদ খানের মতে, কাজের সময় কোনো ধরনের অহংকার বা দূরত্ব তৈরি না করে বরং একজন পেশাদার শিল্পীর মতোই পরিচালকের নির্দেশনা অনুসরণ করেছেন তিনি। বারবার দৃশ্য নিখুঁতভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন এবং পুরো কাজের অভিজ্ঞতাও উপভোগ করেছেন।
সব মিলিয়ে প্রবাসীদের জীবনঘনিষ্ঠ গল্পের সঙ্গে ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক পরিচিত মুখের আন্তর্জাতিক উপস্থিতি দর্শকদের মধ্যে নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে। এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে ‘ইমিগ্রেন্ট ডায়েরিস এপিসোড ২’।


