বগুড়ায় নতুন ইউনিয়ন গঠন ও নামকরণ নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম (Mir Shahe Alam)-কে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ (Awami League)-এর বিতর্কিত নেতা মাহবুবুল আলম হানিফ (Mahbubul Alam Hanif)-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রেস মিনিস্টার ও সাবেক বিবিসি সাংবাদিক আকবর হোসেন (Akbar Hossain)।
শুক্রবার নিজের ফেসবুক পোস্টে আকবর হোসেন লেখেন, “ঐ লোকটাকে দেখে আওয়ামী লীগের মাহবুবুল আলম হানিফের কথা মনে পড়লো বহুদিন পরে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে মাহবুবুল আলম হানিফের কোনও খোঁজ ছিল না।
এবং ৫ আগস্টের পরেও হানিফের কোনও খোঁজ নেই। মাঝের সাড়ে ১৬ বছর হানিফ সম্পর্কে অনেকে অনেক কিছু জানে! ঐ লোকটার অবস্থাও তাই! আওয়ামী লীগ আমলে তার নাম কেউ জানতো না। পরেও হয়তো জানবে না!”
তার এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে বগুড়ার নতুন ইউনিয়ন গঠনকে ঘিরে চলমান বিতর্কের প্রেক্ষাপটে মন্তব্যটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বগুড়া (Bogura) জেলার চারটি নতুন ইউনিয়ন গঠন নিয়ে সমালোচনা ও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন ইউনিয়নগুলোর মধ্যে তিনটির নাম প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পরিবারের সদস্যদের নাম বা পারিবারিক পরিচয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।
গত ১১ জুন জারি করা গেজেট প্রজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে এ বিতর্কের সূত্রপাত হয়। ওই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে শিবগঞ্জ ও নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার প্রশাসনিক সীমানা পুনর্গঠন করা হয়। একই সঙ্গে মীরবাড়ি, সীমান্ত, দিগন্ত ও স্বর্ণগ্রাম নামে চারটি নতুন ইউনিয়ন গঠন করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতিমন্ত্রীর পৈতৃক বাড়ির নাম অনুসারে ‘মীরবাড়ি’ ইউনিয়নের নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়া ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ নাম দুটি তার দুই ছেলে মীর শাকরুল আলম সীমান্ত এবং মীর সাকলাইন আলম দিগন্তের নামের সঙ্গে মিলে যায়। এ কারণে ইউনিয়নের নামকরণে ব্যক্তিগত প্রভাবের অভিযোগ তুলছেন অনেকে।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


