নিজ জন্মভূমি মাশহাদ (Mashhad)-এ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei)-র দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দেশটির অন্যতম পবিত্র ধর্মীয় স্থাপনা ইমাম রেজা মাজারে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। :contentReference[oaicite:0]{index=0}
দাফনের আগে বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই ইমাম রেজা মাজারমুখী সড়কগুলো শো’\কাহত মানুষের ঢলে পূর্ণ হয়ে ওঠে। শেষ জানাজা ও শো’\কযাত্রায় অংশ নিতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসংখ্য মানুষ সেখানে জড়ো হন। এ সময় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনাও চরমে পৌঁছে যায়। মার্কিন হামলার জবাবে ইরান একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায়। দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। :contentReference[oaicite:1]{index=1}
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় গোটা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও খামেনির শো’\কযাত্রার কর্মসূচি থেমে থাকেনি। ইরানের পবিত্র শহর কোমে বিশাল শো’\কযাত্রা শেষে মঙ্গলবার রাতে তার মরদেহ ইরাকের নাজাফ (Najaf) শহরে নেওয়া হয়। :contentReference[oaicite:2]{index=2}
সেখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান (Masoud Pezeshkian) এবং খামেনির বড় ছেলে মোস্তাফা হোসেইনি খামেনির উপস্থিতিতে ইরাকি কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ রাজনীতিকরা কফিন গ্রহণ করেন। বুধবার (৮ জুলাই) নাজাফে আরেক দফা শো’\কযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। :contentReference[oaicite:3]{index=3}
নাজাফের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খামেনির মরদেহ প্রায় ৬০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত কারবালায় নেওয়া হয়। সেখানে ইমাম হোসেনের মাজার এবং আল-আব্বাসের মাজারে আরও একটি শো’\কযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যেই বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে হামলা চালায়। পাল্টা জবাব দেয় ইরানও। এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার ইরাক থেকে মরদেহ ফিরিয়ে আনা হয় ইরানে এবং পরে মাশহাদে দাফন সম্পন্ন করা হয়। :contentReference[oaicite:4]{index=4}
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নি’\হত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তার মৃ’\ত্যুর পর কয়েক দফায় বিভিন্ন শহরে রাষ্ট্রীয় শো’\কানুষ্ঠান ও শো’\কযাত্রার আয়োজন করা হয়, যার সমাপ্তি ঘটে মাশহাদে দাফনের মাধ্যমে। :contentReference[oaicite:5]{index=5}


