বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ব্যয়ের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)-এর ব্যয়ের তুলনা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (Amir Khasru Mahmud Chowdhury) বলেছেন, মু’\জিববর্ষ উদযাপনের ব্যয় নিয়ে আলোচনা হলেও এর বাইরেও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, শুধু এক বছরের খাওয়াদাওয়ার পেছনেই ৩৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, এমন ব্যয় কেবল একটি খাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, আরও অনেক খাতেই একই ধরনের ব্যয়ের নজির রয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (Bangladesh Jamaat-e-Islami)-এর সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলালের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (Hafiz Uddin Ahmed)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি ব্যয়ের বিভিন্ন তথ্য সংসদে উপস্থাপন করেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, মু’\জিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, শেখ মুজিবুর রহমান (Sheikh Mujibur Rahman)-এর ছবি ও বেদি নির্মাণ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেল পাথরের মূর্তি স্থাপন এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সময় গণনার ডিজিটাল বোর্ড তৈরিসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে সর্বমোট ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ সংক্রান্ত বিস্তারিত ব্যয়ের হিসাব সংবলিত ‘মু’\জিববর্ষ উদযাপন বাবদ ব্যয় বিবরণী’ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এদিকে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা (Rumin Farhana)-এর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, জনগণের অর্থ লু’\ট করে বিদেশে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
