প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman) বলেছেন, বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় সংঘটিত সেনা হ’\ত্যা’\কা’\ণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানার হ’\ত্যা’\কা’\ণ্ডের প্রকৃত কারণ এখন বোধগম্য বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বুধবার ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় হ’\ত্যা’\যজ্ঞের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ওই দিনে বিডিআর সদর দফতরে ভয়াবহ সেনা হ’\ত্যা’\যজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। এতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই দিনে সেনা হ’\ত্যা’\যজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন তিনি।
বিচার প্রক্রিয়া ও সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হ’\ত্যা’\কা’\ণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার সুযোগ নেই। তবে নাগরিক হিসেবে আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি যে, এই হ’\ত্যা’\কা’\ণ্ডের পেছনে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা ছিল।
তিনি আরও বলেন, এই হ’\ত্যা’\কা’\ণ্ডের পর নানারকম মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এখন জনগণের কাছে পিলখানার হ’\ত্যা’\কা’\ণ্ডের নেপথ্য কারণ স্পষ্ট।
সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে যেন কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে—সেই শপথে বলীয়ান হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটাই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।
