রাজধানী কাবুলসহ আফগানিস্তানের তিন শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান—এমন দাবি করেছেন তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ (Zabihullah Mujahid)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, পাকিস্তান কাবুল ও দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কান্দাহারের পাশাপাশি আফগানিস্তানের পাকতিয়া প্রদেশে অন্তত একটি লক্ষ্যবস্তুতে বোমা হামলা চালিয়েছে।
তবে এসব হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি। যদিও এই তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) বলেছেন, তার দেশের বাহিনীগুলো যেকোনো আগ্রাসী পরিকল্পনা প্রতিহত করতে পুরোপুরি সক্ষম। পাকিস্তান সরকারের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে এ কথা জানানো হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি (BBC) এ খবর প্রকাশ করেছে।
শেহবাজ শরিফ আরও বলেন, ‘প্রিয় মাতৃভূমির প্রতিরক্ষায় কোনো আপস করা হবে না। যথাযথ ও শক্তভাবে প্রতিটি আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হবে। পুরো জাতি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর পাশে আছে।’
এদিকে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ও কান্দাহারে হামলার বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ (Khawaja Muhammad Asif) এক্সে পোস্ট দিয়ে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্য যু’\দ্ধ’ ঘোষণা করেছেন।
শুক্রবার ভোর ৪টা ১৮ মিনিটে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, পাকিস্তান সরাসরি ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ধৈর্যের সীমা অতিক্রম করেছে। এখন এটি প্রকাশ্য যু’\দ্ধ।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি (Asif Ali Zardari) সকালে এক এক্স পোস্টে লিখেছেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিক্রিয়া ব্যাপক ও চূড়ান্ত।’
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানিয়েছেন, পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত আফগান তালেবানের ২৭টি সামরিক পোস্ট ধ্বংস এবং ৯টি দখল করা হয়েছে। এই অভিযানে তালেবানের ৮০টিরও বেশি ট্যাংক, কামান এবং অস্ত্রধারী সৈন্যবাহী যান (এপিসি) ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।


