ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নি’\হত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। এক কান্নাবিজড়িত ঘোষণায় উপস্থাপক জানান, তার ইন্তেকালের পর দেশে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর খামেনি মারা গেছেন বলে দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট :contentReference[oaicite:0]{index=0}। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের ঘোষণার পর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর। ওই বিপ্লবের মাধ্যমে :contentReference[oaicite:1]{index=1}-এর রাজতন্ত্র উৎখাত করা হয়। তার পতনের মধ্য দিয়ে ইরানে প্রতিষ্ঠিত হয় ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র।
বিপ্লবের পর থেকে দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে ‘আয়াতুল্লাহ’ ব্যবহার করা হয়, যা শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে সিনিয়র ধর্মীয় নেতার উপাধি হিসেবে বিবেচিত।
সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফের দায়িত্বও পালন করছিলেন। তার মৃত্যুর খবরে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।


