যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা :contentReference[oaicite:0]{index=0} নিহত হওয়ার পর দেশটি একটি চরম রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে প্রবেশ করেছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, খামেনির মৃত্যুতে ৪০ দিনের শোক এবং ৭ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
ইরানের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, খামেনির উত্তরসূরির নির্বাচন করার জন্য ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ দ্রুত বৈঠকে বসবে। আলোচনায় উল্লেখযোগ্য প্রার্থীরা হলেন খামেনির পুত্র :contentReference[oaicite:1]{index=1}, কোম শহরের জুমার খতিব আলিরেজা আরাফা, কট্টরপন্থি আলেম মোহাম্মদ মাহদি মিরবাগেরি, খামেনির নাতি এবং সংস্কারপন্থী হাসান খামেনি ও বর্তমান প্রধান বিচারপতি :contentReference[oaicite:2]{index=2}।
নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত একটি অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিল শাসনভার পরিচালনা করবে, যাতে রয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট :contentReference[oaicite:3]{index=3}, প্রধান বিচারপতি এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ফকিহ।
অপরদিকে, আইআরজিসি ইসরাইল ও মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বিধ্বংসী’ সামরিক অভিযান চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


