ইরানের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা :contentReference[oaicite:0]{index=0} স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না। সোমবার (২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অবস্থান তুলে ধরেন।
এর আগে :contentReference[oaicite:1]{index=1} এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল, ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে। তবে লারিজানির বক্তব্যে সেই গুঞ্জন নাকচ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। :contentReference[oaicite:2]{index=2}-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননের রাজধানী :contentReference[oaicite:3]{index=3}-এর দক্ষিণ শহরতলীতে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, লেবানন থেকে মিসাইল ছোড়ার পর পরিস্থিতি সরাসরি সংঘাতে রূপ নিয়েছে। তবে লেবাননের প্রেসিডেন্ট :contentReference[oaicite:4]{index=4} এই পরিস্থিতিকে ‘প্রক্সি সংঘাত’ হিসেবে উল্লেখ করে দেশকে এতে জড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
সংঘাতের বিস্তার রোধে ইসরায়েল লেবাননের ৫০টিরও বেশি গ্রামের বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। হিজবুল্লাহর স্থাপনার কাছাকাছি অবস্থানকারীদের অন্তত এক হাজার মিটার দূরে সরে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে :contentReference[oaicite:5]{index=5} (জিসিসি) এক জরুরি বৈঠকে ইরানের ‘আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধের অঙ্গীকার করেছে। সদস্য দেশগুলো জানিয়েছে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
অন্যদিকে, রয়টার্স/ইপসস জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পক্ষে মাত্র ২৭ শতাংশ আমেরিকান সমর্থন জানিয়েছেন, যেখানে ৪৩ শতাংশ এর বিরোধিতা করেছেন। প্রায় ৫৬ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক শক্তি ব্যবহারে অতিরিক্ত উৎসাহী।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, ইরান-পশ্চিমা বিশ্বের দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ শান্তি ও আলোচনার পক্ষে থাকলেও আপাতত কোনো নির্দিষ্ট পক্ষ নেবে না।


