দু’\র্নী’\তি দমন কমিশনের দায়ের করা দু’\র্নী’\তি মামলায় হংকং সাংহাই মানজালা টেক্সটাইল লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (Bangladesh Awami League)-এর সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি দু’\র্নী’\তি দমন কমিশনের পক্ষে উপপরিচালক শারিকা ইসলাম আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন। নির্ধারিত দিনে শুনানি শেষে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
আটকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতি, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। এজাহার অনুযায়ী, তিনি দি প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের গুলশান শাখার তৎকালীন কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে পারস্পরিক যোগসাজশে ভুয়া নাম ও ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মোট ১০টি এফডিআর হিসাব খোলেন। সেখানে ৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা জমা রাখা হয়। পরবর্তীতে হিসাব জালিয়াতির মাধ্যমে অতিরিক্ত ৪২ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা সুদ গ্রহণ করা হয় এবং ভুয়া গ্রাহকের নামে নগদ উত্তোলনের মাধ্যমে তিনি ওই অর্থ গ্রহণ ও গোপন করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব কর্মকাণ্ডের জন্য তার ও সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, দু’\র্নী’\তি প্রতিরোধ আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এজাহারভুক্ত আসামি কাজী জাফর উল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন বলে আবেদনে বলা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ১৮ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে জাফর উল্লাহকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
কাজী জাফর উল্লাহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। তিনি ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।


