ঐতিহাসিক এক আসর শেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা উঠেছে ভারত (India)-এর হাতে। টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। তবে শিরোপা জয়ের পাশাপাশি পুরো আসরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছেন একাধিক ক্রিকেটার, যাদের পারফরম্যান্স টুর্নামেন্টকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।
টুর্নামেন্ট সেরার দৌড়ে মনোনয়ন পেয়েছিলেন কয়েকজন আলোচিত ক্রিকেটার। তাদের মধ্যে ছিলেন ভারতের সাঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson), ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস (Will Jacks), পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান (Sahibzada Farhan), দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিডি (Lungi Ngidi) ও এইডেন মার্করাম, নিউজিল্যান্ডের রাচিন রবীন্দ্র ও টিম সেইফার্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের শ্যাডলি ফন শ্যালকভিক। তাদের পারফরম্যান্স পুরো আসরজুড়ে আলোচনায় ছিল।
শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত পুরস্কারের তালিকায়ও আধিপত্য দেখা গেছে ভারতের ক্রিকেটারদের।
ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ (Jasprit Bumrah)। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তিনি চার ওভার বোলিং করে মাত্র ১৫ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
অন্যদিকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন সাঞ্জু স্যামসন। পুরো আসরে পাঁচ ইনিংসে ৩২১ রান করে তিনি এই সম্মান অর্জন করেন। ব্যাট হাতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে তিনি দর্শকদের মুগ্ধ করেন।
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষে আছেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি ৩৮৩ রান করে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় এগিয়ে ছিলেন।
বোলিং বিভাগেও নজর কেড়েছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি ১৪টি উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় শীর্ষে আছেন।
ছক্কার তালিকাতেও এগিয়ে ভারতের সাঞ্জু স্যামসন। মাত্র পাঁচ ইনিংসেই তিনি ২৪টি ছক্কা হাঁকিয়ে টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড গড়েন।
স্ট্রাইক রেটের দিক থেকেও আলোচনায় ছিলেন নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেন (Finn Allen)। তার ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ছিল ২০০.০০, যা পুরো টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ।
অন্যদিকে বোলিংয়ে সবচেয়ে সাশ্রয়ী ছিলেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ন্যূনতম পাঁচ ম্যাচ খেলার শর্তে তার ইকোনমি রেট ছিল ৬.২১, যা তাকে এই ক্যাটাগরিতেও শীর্ষে রেখেছে।


