ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হা’\দি হ’\ত্যা মামলার সঙ্গে জড়িত আসামিদের সীমান্ত পার হয়ে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার ভোরে নদিয়া (Nadia) জেলার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় এই ব্যক্তি মূলত টাকার বিনিময়ে মানুষকে সীমান্ত পারাপারে সহায়তা করতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে তদন্তকারীরা।
এর আগে গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে একই মামলার আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে বনগাঁও (Bongaon) সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ (West Bengal Police)-এর স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। তদন্তকারীরা জানান, ওই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতেই ফিলিপ সাংমার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
এসটিএফের দাবি, ফয়সাল ও আলমগীরের দেওয়া তথ্য অনুসরণ করে শনিবার ভোরে নদিয়ার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় ফিলিপকে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিলিপ সাংমা স্বীকার করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি টাকার বিনিময়ে সীমান্ত পারাপারের ব্যবস্থা করে দিতেন। হা’\দির খু’\নকাণ্ডের পর বাংলাদেশ পুলিশ (Bangladesh Police)-এর চাপ বাড়তে থাকলে তিনি ওই সীমান্ত দিয়েই ভারতে পালিয়ে যান। পরে ফয়সাল ও আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে ফয়সাল ও আলমগীর গ্রেপ্তার হওয়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায় এবং চাপ বাড়তে থাকে।
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন (Paltan) এলাকার বক্স কালভার্টের কাছে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা হা’\দিকে গু’\লি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর সেখানেই তার মৃ’\ত্যু হয়।


