দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক (Dhaka–Chattogram Highway)-কে ১০ লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম (Sheikh Robiul Alam)। তিনি জানান, এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই বর্তমানে চলমান রয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ (Jatiya Sangsad)-এ কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (Hafiz Uddin Ahmed)।
মন্ত্রী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সার্বিক উন্নয়ন এবং বিশেষ করে পদুয়াবাজার এলাকায় দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যমান বাজেটের মধ্যে সমন্বয় করে ওই এলাকায় থাকা ওভারপাস সম্প্রসারণের জন্য ইতোমধ্যে নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী কাজ দ্রুত শেষ করা সম্ভব হবে এবং এতে সংশ্লিষ্ট এলাকার যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে।
শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, মহাসড়কটি ১০ লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনার পাশাপাশি সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের আওতায় তিনটি নতুন আন্ডারপাস নির্মাণের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পদুয়াবাজার এলাকায় প্রস্তাবিত ইউলুপের পাশাপাশি বিদ্যমান ইন্টারসেকশনের অধীনে আরও দুটি আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে ওই অঞ্চলে পাঁচটি আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছে সরকার।
তিনি জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এরপর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপস্থাপনের মাধ্যমে বাস্তবায়নের দিকে অগ্রসর হওয়া হবে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নেওয়া প্রকল্পে সীমিত পরিসরে সংশোধনের সুযোগ থাকায় বড় ধরনের পরিবর্তন সম্ভব হচ্ছে না। তবে নতুন সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। সংসদ সদস্যের অবগতির পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে সচিব এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (Roads and Highways Department)-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরেজমিনে পরিদর্শনে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং খুব শিগগিরই এর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
